সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ ইং, দুপুর ১২:২১
শিরোনাম :
আগস্টের মধ্যেই বাস্তবায়িত হচ্ছে নতুন পে-স্কেল হুথিরা কোথা থেকে হামলা চালাচ্ছে খুঁজে পাচ্ছে না সৌদি আরব আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী বরিশালে জুলাই জাগরণ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হাসপাতালে স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন স্ত্রীকে মারধর ও কোটি টাকা যৌতুক দাবির মামলায় টিকটকার মামুন কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের জন্য কুমিরে ঘেরা খাল খনন শুরু করছে ইসরায়েল সাংবাদিক শফিকের মুক্তির দাবীতে প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন, ফায়ার সার্ভিস,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি

ইরানের বিরুদ্ধে হাইপারসনিক মিসাইল ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ।। যুক্তরাষ্ট্র নতুন ধরনের শক্তিশালী হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার চিন্তা করছে বলে আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউনাইটেড স্টেটস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ‘ডার্ক ঈগল’ নামের গোপন হাইপারসনিক মিসাইল মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর অনুরোধ করেছে, যা ইরানের গভীর লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এবং দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা এড়িয়ে চলতে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান তাদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চারগুলো এমন দূরত্বে সরিয়ে নিয়েছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান মিসাইলগুলো কার্যকরভাবে আঘাত করতে পারছে না। তাই এই পরিস্থিতিতে নতুন অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনা সামনে এনেছে তারা।

অনুমোদন পেলে এটি হবে প্রথমবারের মতো দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষাধীন ‘ডার্ক ঈগল’ ক্ষেপণাস্ত্রের বাস্তব মোতায়েন। এর পাল্লা প্রায় ২,৭৭৬ কিলোমিটারের বেশি বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নতুন করে ইরানে হামলার পরিকল্পনা নিয়ে ব্রিফ করা হচ্ছে বলেও এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সম্ভাব্য হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্র মূলত চীন ও রাশিয়ার মতো উন্নত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যাদের সামরিক সক্ষমতা ইরানের তুলনায় অনেক বেশি।

এদিকে সাম্প্রতিক ঘটনার মাধ্যমে ইঙ্গিত মিলেছে, ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কিছু সক্ষমতা এখনো সক্রিয় আছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র দাবি করে, তারা আকাশে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দুই দেশই এখন নৌপথে পালটাপালটি চাপ সৃষ্টি করছে এবং কৌশলগতভাবে নিজেদের শক্তি পুনর্গঠনের চেষ্টা চালাচ্ছে, ধারণা বিশ্লেষকদের।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সামরিক ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে এবং অস্ত্রের মজুতেও চাপ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে শান্তি আলোচনা এখনও অচলাবস্থায় রয়েছে, ফলে পরিস্থিতিও অনিশ্চিত।

সূত্র: মিডলইস্ট আই